পেইন কিলার বিপজ্জনক এক ওষুধ। যুক্তরাষ্ট্রের মতো অতি উন্নত দেশেও পেইন কিলারের অতিমাত্রায় সেবনের কারণে বছরে মৃত্যু হয় ১৫ হাজারের বেশি মানুষের। আর সব থেকে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে চিকিত্সকগণই অতিমাত্রায় পেইন কিলার লিখছেন। ফলে পেইন কিলারের অপব্যবহার বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় চেইন ওষুধ স্টোর সিভিএস চিকিৎসকদের অতিমাত্রায় পেইন কিলার ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার তথ্য উদঘাটন করে অনেক ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন থেকে পেইন কিলার ডিসপেন্সিং বা পেইন কিলার বিক্রি বন্ধ করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ৩৬ জন চিকিত্সকও। সিভিএস এ তথ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশ করেন।

 
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আর একটি বড় চেইন ওষুধ স্টোর ওয়ালগ্রিন ক্ষতিকর ওষুধ ডিসপেন্সিংয়ের কারণে একটি অভিযোগের নিষ্পিত্তি করেছে ৮০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে। এদিকে সিভিএস সূত্রে বলা হয় তাদের ডাটাবেজ অনুযায়ী দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১০ লক্ষ প্রেসক্রিপশনে ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ দেওয়া হয়েছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের ড্রাগ এনফোর্সিং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ ধরনের ক্ষতিকর ওষুধের ব্যবস্থাপত্র প্রদানের বিরুদ্ধে তত্পরতা অব্যাহত রেখেছে।
 
তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাংলাদেশে পেইন কিলার বিক্রয় হয় প্রেসক্রিপশন ছাড়া এবং ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা নেই। ওষুধ প্রশাসন আছে শুধু আমদানিকারকদের পক্ষে কাজ করার জন্য। সাধারণ মানুষ বিষ পান করলেও দেখার কেউ নেই। এ বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের দেখা দরকার। তাই বলব পেইন কিলার সেবনের ক্ষেত্রে চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে চলুন।