এবার মুক্তি পেতে পারে শিশুরা আরএসভি ভাইরাস থেকে

0
289
views

সভ্যতার শুরু থেকে ‘রেসপিরেটরি সিনসিশিয়াল ভাইরাস’ বা ‘আরএসভি’ নামের ভাইরাসটি শিশুদের কাবু করে আসছে। এতোদিন এই ভাইরাসের কোনো কূলকিনারা খুঁজে পাননি বিশেষজ্ঞরা। তবে এবার আশার বাণী শোনাচ্ছেন তারা।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভাইরাসের ঠিক কোন অংশটা শিশুদের ভোগান্তির কারণ হচ্ছে, এই প্রথম একটি গবেষণায় তার হদিস মেলায় তার ওষুধ বা টিকা আবিষ্কারের সম্ভাবনার দরজা অনেকটাই খুলে গেছে।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-মাইক্রোবায়োলজি’র জুন সংখ্যায় প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এ বিষয়ে জানানো হয়।

গবেষণায় এই প্রথম জানা গেছে, ওই ভাইরাসের শরীরে থাকা একটি প্রোটিনের একটি অংশই জন্মের পর শিশুদের যাবতীয় ভোগান্তির প্রধান কারণ। ওই ভাইরাসের হানায় শিশুদের যে রোগটি হয়, তার নাম- ব্রঙ্কিওলাইটিস। গোটা বিশ্বে বছরে গড়ে যত শিশুর (১৩ কোটি) জন্ম হয়, তার অর্ধেকই (সাড়ে ৬ কোটি) আক্রান্ত হয় এই ভাইরাসে।তবে এই ভাইরাস প্রাণহানির চেয়ে শিশুদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় বেশি। তাই বিশ্বে বছরে গড়ে সাড়ে ৬ কোটি শিশু আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর হার ১৬ থেকে ২৫ হাজার।

জন্মের পর এই রোগ হয় শিশুদের। মাতৃগর্ভ থেকে বেরিয়ে আসার ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যেই সর্দি, খুকখুকে কাশি আর অল্প সময়ের গা পোড়ানো জ্বর হয় শিশুদের। কখনওবা তা জন্মের ১ মাসের মধ্যেই টের পেয়ে যায় শিশুরা। পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা থাকে শিশুদের।