ডিম্বাশয়ে ক্যান্সার

0
2
views

৪৫-৫০ বছরের পর মেয়েদের মাসিক চিরতরে বন্ধ হযে যায়। এসময় মহিলারা নানা শারীরিক এবং মানসিক কষ্টে ভুগে থাকেন। হতাশা, হট ফ্ল্যাশ, অস্থিরতা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, প্রস্রাবে সংক্রমণ, যোনি শুষ্কতা সহ নানা রকম সমস্যা হয়। হরমোন থেরাপি আবিষ্কারের পরে এসব কষ্ট কিন্তু অনেক কমে এসেছে।

কিন্তু হরমোন থেরাপি যে শুধু উপকার করে তা নয়। এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। নানারকম সমস্যা  হতে পারে হরমোন থেরাপিতে। ডিম্বাশয়ে ক্যান্সার তাদের মধ্যে অন্যতম।

আমেরিকা এবং যুক্তরাজ্যে প্রায় ৬ মিলিয়ন মহিলা হরমোন থেরাপি নেন। আমাদের দেশে সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও অনেক মহিলা হরমোন থেরাপি গ্রহণ করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বর্তমানে হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন তাদের ডিম্বাশয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশী এবং গবেষকরা এটাও লক্ষ্য করেছেন হরমোন থেরাপি বন্ধ করার পর ডিম্বাশয়ে টিউমারের হারও অনেক কমে গেছে। প্রায় ২১,০০০ মহিলার উপর তারা গবেষণা করেন। তারপর বিজ্ঞানীরা রিপোর্ট প্রকাশ করেন।

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যারা স্বল্প সময়ের জন্য হরমোন থেরাপি নেন তাদেরও ডিম্বাশয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি আছে। সম্ভবত তাদের ঝুঁকি একেবারেই যারা হরমোন থেরাপি নেন না তাদের থেকে বেশি। হরমোন থেরাপি দুই ধরনের আছে। শুধু ইস্ট্রোজেন দিয়ে হরমোন থেরাপি দেয়া যায় আবার ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরন দিয়েও দেয়া হয়। দুই ধরনের হরমোন থেরাপির ফলেই কিন্তু ডিম্বাশয়ে ক্যান্সার হতে পারে।

হরমোন থেরাপি অনেক মহিলার জন্য আশীর্বাদ বয়ে এনেছে। যদিও এর ফলে ডিম্বাশয়ে, জরায়ুতে এবং স্তনে ক্যান্সার হতে পারে। সুতরাং হরমোন থেরাপি দেবার পূর্বে এই বিষয়টা খেয়াল করা দরকার। নিয়মিত পরীক্ষা নিরীক্ষাও করা উচিত। তাতে সমস্যা অনেক কমে যাবে। হরমোন থেরাপি নিলে নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে অবশ্যই যাওয়া উচিত।

Leave a Reply