ড্যাবের সভাপতি ডা. হারুন, মহাসচিব ডা. সালাম

0
86
views

বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. হারুন অর রশিদ। তিনি ১৫০ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন পেয়েছেন ৯৮ ভোট। আর মহাসচিব হয়েছেন ডা. আব্দুস সালাম।  তিনি পেয়েছেন ১৫৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু পান ৯২ ভোট।

এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. মো. আব্দুস সেলিম (১৫৫ ভোট), কোষাধ্যক্ষ ডা. জহিরুল ইসলাম সাকিল (১৭৩ ভোট) ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মো. মেহেদী হাসান (১৪১ ভোট)।

নতুন কমিটি গঠনে শুক্রবার অনুষ্ঠিত ড্যাবের কাউন্সিলে তাদের নির্বাচিত করা হয়। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকাল ১০ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ২৬৪ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ২৪৮ জন। রাতে পাঁচ পদে নির্বাচিতদের নাম ঘোষনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডা. রফিকুল কবির লাবু।

নির্বাচনে সভাপতি পদে ডা. হারুন অর রশিদ ও ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন এবং মহাসচিব পদে ডা. আব্দুস সালাম ও ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু নির্বাচন করেন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটিসহ সাংগঠনিক জেলা শাখার মোট ২৬৪ জন ভোটাভুটির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পাঁচ পদে নেতৃত্ব নির্বাচন করেবেন।

এবারে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে মোট কাউন্সিলর ছিলেন ২৬৪ জন। এদের মধ্যে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির ১৬১ জন সদস্য ও বাকিরা সাংগঠনিক জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অথবা আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব।

তফসিল ঘোষণার পর পাঁচটি পদে ৭০টির মতো নমিনেশন ফরম বিক্রি হয়। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত এখন পাঁচ পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ড্যাবের ১৬১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারকে আহ্বায়ক, ডা. ওবায়দুল কবির খান সদস্য সচিব ও কোষাধ্যক্ষ করা হয় ডা. মহিউদ্দিন ভুঁইয়া মাসুমকে। ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তিন জন ছাড়া আরও কোন নাম ঘোষনা করা হয়নি। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি আরেক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির নাম প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এ আহ্বায়ক কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় সম্মেলন করে নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। এছাড়াও আহ্বায়ক কমিটির শীর্ষ পদের নেতারা নতুন কমিটির শীর্ষ পদে থাকতে পারবেন না বলেও জানানো হয়। জানা গেছে, গত ১১ মে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির তিন মাসের মেয়াদ শেষ হয়। পরে কমিটির সদস্যরা বিএনপির হাইকমান্ডের কাছ থেকে সময় বাড়িয়ে নেন। এর মধ্যে আহ্বায়ক কমিটির নেতারা বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলা সফর করেন এবং ৬৫টি সাংগঠনিক জেলার নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।