দিনে এক চামচের বেশি লবণ নয়

0
336
views

f00af7c8e807d62e0abab4cb12d3a70c-1উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি আছে যাঁদের, তাঁরা প্রতিদিনের খাবারে দেড় গ্রাম বা ১ হাজার ৫০০ মিলিগ্রামের কম লবণ খাবেন। আর অন্যরা প্রতিদিন লবণ খাওয়ার পরিমাণ ২ হাজার ৩০০ মিলিগ্রামে সীমিত রাখবেন। এর মানে হলো সারা দিনে সব মিলিয়ে এক চা-চামচের বেশি লবণ না খাওয়াই ভালো।
পাতে আলাদা লবণ বাদ দেওয়ার পরও সারা দিনে আমরা এমন অনেক কিছু খাই, যাতে লবণের পরিমাণ খুব বেশি। জেনে নিন প্রতিদিনের খাবারে লবণের পরিমাণ কমাতে খাদ্যাভ্যাসে কী ধরনের পরিবর্তন আনা উচিত:
১. টেবিল থেকে লবণদানিকে চিরতরেই বিদায় জানান। ভাতের সঙ্গে আলগা লবণ যেমন কোনোভাবেই খাওয়া যাবে না, তেমনি সালাদ, শরবত বা ফলমূলের সঙ্গেও লবণ মেশাবেন না। লবণ ভাজা বা বিট লবণ—কোনোটাই খাবেন না।
২. বাড়তি লবণের ৭৫ শতাংশই আসে প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে, যেমন: ইনস্ট্যান্ট নুডলস, পাস্তা বা প্যাকেটজাত স্যুপ পাউডার ইত্যাদি। জীবন যাপনকে সহজ করলেও এসবে আছে লবণ। ফ্রোজেন সসেজ, নাগেট ইত্যাদি হিমায়িত তৈরি খাবার সংরক্ষণ করার জন্য এগুলোতে বেশি লবণ মেশানো হয়। বাজার থেকে কেনা প্যাকেটজাত চিপস, চানাচুর, আচার, পনির ইত্যাদিতেও লবণ থাকে। তাই এসব কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে দেখে নিন লবণের মাত্রা। বাড়িতেও এসব খাবার বানানোর চেষ্টা করতে পারেন। এতে লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
৩. একটা চিজ বার্গারে প্রায় দুই হাজার মিলিগ্রাম লবণ থাকে, অর্ধেকটা গ্রিল চিকেনে লবণের পরিমাণ ১ হাজার ৮০০ মিলিগ্রাম, ক্লাব স্যান্ডউইচে ১ হাজার ৬০০ মিলিগ্রাম, আর সসেজে ১ হাজার ৪০০ মিলিগ্রামের মতো লবণ রয়েছে। দেখতেই পাচ্ছেন, এগুলোর যেকোনো একটাতেই আপনার সারা দিনের জন্য বরাদ্দ লবণ খাওয়া হয়ে যায়। তাই ফাস্টফুড খেলেও পরিমাণটা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪. লবণ খাবারের স্বাদ বাড়ায়। রান্নায় বা সালাদে, সবজিতে লবণ কমিয়ে দিয়ে স্বাদ বাড়াতে বিকল্প কিছু ব্যবহার করতে পারেন। যেমন: লেবুর রস, ভিনেগার বা সরিষা। এগুলোও স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করবে।