সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে চিকিৎসক দিবস পালিত

0
162
views

‘প্রত্যেক চিকিৎসকের কর্মস্থল হোক নিরাপদ’ – এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পালিত হলো চিকিৎসক দিবস। বৃহস্পতিবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

 

দিবসটি উপলক্ষে চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে সুসজ্জিত একটি শোভাযাত্রা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, জাতীয় কিডনী ও ইউরোলজি হাসপাতাল, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল এবং পুসর্বাসন কেন্দ্র, জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট, জাতীয় যক্ষা নিরাময় কেন্দ্র, জাতীয় বতজ্বর ও হৃদরোগ প্রতিরোধ কেন্দ্র প্রদক্ষীণ করে পুনরায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে হাসপাতাল মিলনায়তনে দিবসটির প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ূয়ার সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিচালক ডা. মামুন মোর্শেদের পরিচালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডা. সুব্রত ঘোষ।

এছাড়া শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. শাহাদাত হোসেন রিপন, হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ফাতেমা আশরাফ, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচএম ফিরোজসহ দেশের বিভিন্ন স্তরের প্রখ্যাত চিকিৎসকরা সভায় বক্তব্য রাখেন।

স্বাগত বক্তব্যে ডা. সুব্রত ঘোষ বলেন, বছরের প্রতি দিন ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসকরা সুখ আনন্দকে বিসর্জন দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসুস্থ মানুষের পাশে থাকে। তারপরও রাষ্ট্র এ দিবসকে ঘিরে কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে না। বরং চাপিয়ে দিচ্ছে একের পর এক কর্তব্যের বোঝা, আর কালো আইন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে চিকিৎসকদের রাজনৈতিক সংগঠনগুলো (স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ-স্বাচিপ, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম-এনডিএফ, বাংলাদেশ চিকিৎসক সংসদ, ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট) তো নয়ই এমনকি চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনও (বিএমএ) এ দিবসটি পালন করে না।

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ূয়া বলেন, চিকিৎসাসেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে অন্যতম প্রধান বিষয়। এ দিবসটি পরিচিতি পায় ১৯৩৩ সালের ৩০ মার্চ। প্রথম দিবসের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার রোগীর সম্পর্কের ব্যাপারটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

আলোচনা সভায় সকল বক্তাই কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। একইসঙ্গে আগামী বছর থেকে এ বিশেষ দিনটি দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই পালনের আহ্বান জানানো হয়।