এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি সিলেট জেলায় — ভালো থাকুন

এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি সিলেট জেলায়

বাংলাদেশে এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি সিলেট জেলায়। রোববার দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘অভিবাসী ও স্বাস্থ্য’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষকরা এসব তথ্য জানান। এর কারণ হিসেবে তারা বলেন, দেশের অন্য অঞ্চলের তুলনায় এ জনপদে অভিবাসীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় দিন দিন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।  দ্রুত গণসচেতনতা সৃষ্টি না করলে এটি আরো বেড়ে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক। ইউনিসেফের সহযোগিতায় সেমিনারের আয়োজন করে অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রগ্রাম

ঢাকায় শিরায় মাদকসেবীদের ২২% এইচআইভি আক্রান্ত

শিরায় মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে এইচআইভির সংক্রমণ ঢাকায় বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২২ শতাংশ হয়েছে। রক্তের নমুনাভিত্তিক জরিপে এই চিত্র উঠে এসেছে। জাতীয় এসটিডি/এইডস কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত এই জরিপের ফলাফল এক বছর আগে জমা দেওয়া হলেও সরকার তা এখনো প্রকাশ করেনি।

গত বছর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) ও আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণাকেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর রক্তের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে এই জরিপ (সেরোলজিক্যাল সার্ভেল্যান্স) করে।

জানতে চাইলে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, খুব শিগগির জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

দেশে কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) মাধ্যমে সেভ দ্য চিলড্রেন শিরায় মাদকসেবীদের মধ্যে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ওই জরিপ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ঢাকায় শিরায় মাদক গ্রহণকারীদের ২২ শতাংশের শরীরে এইচআইভির সংক্রমণ আছে। রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় মাদকসেবীদের মধ্যে এই হার ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি চারজনের একজন এইচআইভি সংক্রমিত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ৫ শতাংশের মধ্যে এইচআইভির সংক্রমণ দেখা দিলে পরিস্থিতিকে ‘কনসেনট্রেটেড এপিডেমিক’ বা ‘ঘনীভূত মহামারি’ বলে। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ অতি দ্রুত ওই জনগোষ্ঠীর অন্য সদস্যের পাশাপাশি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীতেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

এই পরিস্থিতিতে দেশে এইচআইভি/এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ায় শিরায় মাদকসেবীদের মধ্যে এই রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জরিপ ফলাফল আগেই প্রকাশ করা উচিত ছিল। ফলাফল এক বছর আগে প্রকাশ করলে কর্মসূচি মূল্যায়ন করে নতুনভাবে কাজ শুরু করা সম্ভব হতো। তিনি বলেন, ‘চানখাঁরপুলের পাশেই দেশের বৃহত্তম চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এই হাসপাতালকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় বেশ কিছু ব্লাড ব্যাংক গড়ে উঠেছে। মাদকসেবীদের একটি অংশ নিয়মিত রক্ত বিক্রি করে। বড় ঝুঁকিটা তৈরি হয়েছে এখানেই।’

এইচআইভি রক্ত বা গ্রন্থিরসের মাধ্যমে ছড়ায়। মাদক গ্রহণকারীরা একই সুই-সিরিঞ্জে মাদক ভাগাভাগি করে বলে এদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি। মাদকসেবীদের অনেকের স্ত্রী বা স্বামী আছে। একটি অংশ নিয়মিত যৌনকর্মীদের কাছে যায়। একটি অংশ নিয়মিত রক্ত বিক্রি করে।

সেভ দ্য চিলড্রেন বলেছে, এশিয়া মহাদেশের বেশ কয়েকটি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ ঘটলে তা অতি দ্রুত একইভাবে ওই জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ড এর উদাহরণ। প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, বাংলাদেশে সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে এইচআইভির বিস্তার দ্রুত ঘটছে বলে সর্বশেষ জরিপে জানা গেছে। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় উদ্বিগ্ন।

এর আগে সেরোলজিক্যাল সার্ভেল্যান্স (রক্তের নমুনাভিত্তিক জরিপ) হয়েছিল ২০১১ সালে। তাতে ঢাকায় শিরায় মাদকসেবীদের ৫.৩ শতাংশের মধ্যে এইচআইভির সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভির প্রকোপ সম্পর্কেও জানা গিয়েছিল। সর্বশেষ ২০১৬ সালের জরিপের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করলে যৌনকর্মী, হিজড়া, সমকামী, কয়েদিদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ সম্পর্কে জানা যাবে।

জরিপের সঙ্গে জড়িত একজন গবেষক ও একজন এনজিও কর্মকর্তা বলেছেন, ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে জরিপ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এক বছরেও এই প্রতিবেদন কেন প্রকাশ করা হয়নি তা তাঁরা জানেন না।

জানতে চাইলে জাতীয় এইডস/এসটিডি কর্মসূচির ব্যবস্থাপক ডা. মো. বেলাল হোসেন এসব ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে কর্মসূচির বিষয়ভিত্তিক পরিচালক (লাইন ডিরেক্টর) দেশের বাইরে থাকায় তাঁর মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ROOT

করোনার ৩ নতুন উপসর্গ হচ্ছে সর্দি, বমিভাব আর ডায়রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা (সিডিসি) করোনাভা্রাসের নতুন তিনটি উপসর্গ চিহিৃত করেছে। নতুন ৩ উপসর্গ হচ্ছে সর্দি, বমিভাব আর ...
Read More

করোনায় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আসাদুজ্জামানের মৃত্যু

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মহাখালীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আসাদুজ্জামান মারা গেছেন। ...
Read More

করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু

গাজীপুরের শ্রীপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে ফিরোজ আল-মামুন (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ফিরোজ উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা গ্রামের মৃত ...
Read More

অতিরিক্ত অর্থে মিলছে অক্সিজেন

রাজশাহীতে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আর এর চাইতেও বেশি আছে করোনা উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগীর সংখ্যা। এ ধরনের ...
Read More

উপসর্গে ওসমানী মেডিকেলের অধ্যাপক ডা. গোপাল শংকরের মৃত্যু

সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. গোপাল শংকর দে করোনাভাইরাসের ...
Read More

চীনের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হতে পারে বাংলাদেশে

করোনাভাইরাস নির্মূলে চীন আবিষ্কৃত সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বাংলাদেশে হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। ...
Read More

ক‌রোনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপদেষ্টার মৃত্যু

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট উপদেষ্টা আল্লাহ মালিক কাজেমী মারা গেছেন। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে এভার কেয়ার ...
Read More

রাজশাহীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে দু’জনের মৃত্যু,

প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহীতে মারা গেছেন একজন। আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে করোনার উপসর্গ নিয়ে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল ...
Read More

করোনায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বেসরকারি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি ...
Read More
%d bloggers like this: