মশা মারার ওষুধ নাই ,মশা নিধনের ৩৬ কোটি টাকা গেল কোথায় ? — ভালো থাকুন

মশা মারার ওষুধ নাই ,মশা নিধনের ৩৬ কোটি টাকা গেল কোথায় ?

মশার উৎপাতে সারা বছরই অতিষ্ঠ থাকে রাজধানীর মানুষ। মশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভূমিকা নিয়েও বছরজুড়ে অভিযোগ শোনা যায় নগরবাসীর মুখে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগরে মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়া ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় ওই অভিযোগ আরো জোরালো হয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানীর ২৩টি এলাকাকে চিকুনগুনিয়ার জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এমন পরিস্থিতিতে বাসাবাড়ি, অফিস, বাজার, গণপরিবহন—সবখানেই মানুষ ক্ষোভের সঙ্গে তুলে ধরছে মশক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভূমিকা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) গত অর্থবছরে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা মশক নিধনের জন্য বরাদ্দ রাখলেও তা তেমন কাজে আসেনি। অনেক এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফগার মেশিনসহ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দেখাও পাওয়া যায় না বছরের পর বছর।

ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিধন কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ডিএনসিসি এলাকার কাউন্সিলররাও। গত ২১ জুন ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁরা ওই কাজের দায়িত্ব তাঁদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর মেয়রের সিদ্ধান্তে গতকাল রবিবার থেকে কাউন্সিলরদের হাতে এ দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, মশক নিয়ন্ত্রণে তাঁদের আন্তরিকতার অভাব নেই। রাজধানীর বাইরের বেশ কিছু এলাকার খাল, ডোবা ও নালায় জমে থাকা ময়লা পানিতে ব্যাপক মশা জন্ম নেয়। সেখান থেকেই মশা রাজধানীতে ছড়িয়ে পড়ছে।

ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির বাজেট বই থেকে দেখা যায়, গত ১ জুলাই শুরু হওয়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ডিএনসিসি মশক নিয়ন্ত্রণে বরাদ্দ রেখেছে ২০ কোটি টাকা। ডিএসসিসির বাজেট এখনো ঘোষণা করা হয়নি। বিদায়ী অর্থবছরে মশক নিয়ন্ত্রণ খাতে ডিএসসিসির বরাদ্দ ছিল ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ওই খাতে ডিএনসিসির বরাদ্দ ছিল ২৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে ছিল ১১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। মশক নিয়ন্ত্রণে এত অর্থ বরাদ্দ থাকলেও এর সুফল দেখা যায় না।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল বলেন, ‘মশক নিধনের জন্য এবারের বাজেটে আমাদের অর্থ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ওষুধ ছিটানোর কাজে আরো স্বচ্ছতা আনার জন্য স্থানীয় কাউন্সিলরদের সম্পৃক্ত করার একটি পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে। আমাদের আহ্বান থাকবে, যেসব স্থানে মশা জন্ম নেয় সেগুলো যেন নাগরিকগণ নষ্ট করে দেন। ’

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাহুল ইসলাম বলেন, ‘চিকুনগুনিয়া নিয়ে বর্তমানে বেশ আতঙ্ক বিরাজ করছে। আমরা সব দিক বিবেচনা করে মশক নিধনের কার্যক্রম স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের কাছে হস্তান্তর করেছি। তাঁরা দ্রুত কাজ বাস্তবায়ন করলে মশক নিধন কার্যক্রম গতি পাবে বলে মনে করি। এ ছাড়া আইইডিসিআর যে এলাকাগুলোকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলেছে, তা আমরা আমলে নিয়ে বিশেষ প্রগ্রাম হাতে নিয়েছি। আশা করছি, মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে। ’

দুই সিটির লোকদেখানো ক্রাশ প্রগ্রাম : কয়েক বছর ধরে দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশক নিধনে ক্রাশ প্রগ্রাম হাতে নেওয়া হচ্ছে। বছরের একটি নির্দৃষ্ট সময়ে সংস্থা দুটির স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যানার নিয়ে নির্দিষ্ট দু-একটি স্থানে এ কর্মসূচি পালন করে থাকেন। এরপর আর কারো মনিটরিং থাকে না। ফলে ভিআইপি এলাকায় স্প্রেম্যান দেখা গেলেও যেসব এলাকায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ বসবাস করে সেখানে কেউ যায় না। এ ছাড়া মশার উত্পত্তিস্থল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতে সভা-সেমিনারও তেমন হয় না। মাঝেমধ্যে পত্রিকায় ছোট আকারের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দায়িত্ব সারে কর্তৃপক্ষ।

এবার মশক নিয়ন্ত্রণে বরাদ্দ কমাল ডিএনসিসির : মশার উৎপাতে যখন বেশি অতিষ্ঠ নগরবাসী, ঠিক তখনই মশা নিয়ন্ত্রণ কাজে বরাদ্দ কমিয়েছে ডিএনসিসি। এ কাজে সংস্থাটি গত অর্থবছরের চেয়ে বরাদ্দ কমিয়েছে তিন কোটি ২৫ লাখ টাকা। এ বিষয়ে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম এম সালেহ ভূঁইয়া বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ২৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। সেখানে ব্যয় করা হয়েছে ১৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ছয় কোটি ৪০ লাখ টাকা খরচ করা হয়নি। সেই পরিসংখ্যানে এই কর্মকর্তার মতে তিন কোটি ১৪ লাখ টাকা বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এস এম সালেহ উদ্দিন ভূঁইয়া অবশ্য বলেন, ‘চিকুনগুনিয়া একটি বৈশ্বিক সমস্যা। জলবায়ুর প্রভাবে চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। জনগণ সচেতন হলে এ রোগ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। ’

বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ২৩ এলাকায়ও দেখা মেলে না মশা নিধনকর্মী : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন আইইডিসিআর এক জরিপ চালিয়ে গত মাসে বলেছে, রাজধানীর ২৩টি এলাকা চিকুনগুনিয়ার জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকাগুলো হলো ধানমণ্ডি ৩২, ধানমণ্ডি ৯/এ, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টর, মধ্যবাড্ডা, গুলশান-১, লালমাটিয়া, পল্লবী, মগবাজার, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া, রামপুরা, তেজগাঁও, বনানী, নয়াটোলা, কুড়িল, পীরেরবাগ, রায়ের বাজার, শ্যামলী, উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর, মণিপুরিপাড়া, মোহাম্মদপুর, মহাখালী, মিরপুর-১ ও কড়াইল বস্তি। মিরপুর-১ নম্বর শাহআলীবাগের বাসিন্দা খাজা আজিম উদ্দিন রুপম গতকাল বলেন, ‘আমরা পত্রপত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, মিরপুর এলাকায় চিকুনগুনিয়ার জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এ খবর শোনার পর ভেবেছিলাম সিটি করপোরেশন মশার ওষুধ নিয়ে আসবে। কিন্তু কেউ ওষুধ ছিটাতে আসেনি। আশপাশের অনেক বাসা-বাড়িতে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগী রয়েছে। আমরাও আতঙ্কে আছি। ’

পীরেরবাগের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আমাদের ছয় সদস্যের পরিবারের চারজন এ পর্যন্ত চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। পীরেরবাগ এলাকায় ১০ বছর বসবাস করার সময় বছরদুয়েক আগে একবার সিটি করপোরেশনের কর্মীদের দেখেছি ওষুধ ছিটাতে। এখন আমাদের মতো সারা ঢাকার মানুষ মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হলেও কর্তৃপক্ষের কোনো তত্পরতা চোখে পড়ছে না। ’

মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকার (কালশী মোড়) গৃহিণী তাসলিমা আক্তার নাসিমা বলেন, ‘আমাদের এলাকায় একটি খাল রয়েছে। এ খালে প্রচুর পরিমাণ ময়লা পানি আর আবর্জনা জমে আছে। সেখানে মশার কারখানা। কিন্তু গত ছয়-সাত বছরের মধ্যে এক দিনের জন্যও মশা নিধনের মেশিন নিয়ে কাউকে এলাকায় আসতে দেখিনি। এমনকি খাল পরিষ্কারের জন্যও কেউ আসে না। ’

৯৫১, পূর্ব মনিপুরের বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক আব্দুস সালাম বলেন, ‘মশার যন্ত্রণায় দিনেরবেলায়ও নিস্তার নেই। অবশেষ আট দিন ধরে চিকুনগুনিয়ায় ভুগছি। মশার অত্যাচার দেখে মনে হয় মশা মারার জন্য কেউ কাজ করে না। ’

গত ২১ জুন নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার শুরুতেই মেয়র আনিসুল হক অব্যশ্য চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার আশা ডিএনসিসির কাউন্সিলরদের : ডিএনসিসির ১২ নম্বর কাউন্সিলর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তিতু বলেন, ‘মশার উৎপাত এতটাই বেশি যে আমরা জনসাধারণের কাছে লজ্জা পাচ্ছি। কয়েক দিন ধরে আমিসহ আমার পরিবারের একাধিক সদস্য চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছি। মশার ওষুধ যারা ছিটানোর দায়িত্বে আছে তারা ঠিকঠাক মতো কাজ করে না। আমরা কাউন্সিলররা বোর্ড সভায় দাবি জানানোর পর মেয়র এখন আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। মশার ওষুধ ছিটানো ও স্প্রেম্যান দুটিই আমাদের হাতে থাকবে। এমনকি স্প্রেম্যানদের বেতন-ভাতাও আমাদের মনিটরিং থাকবে। আশা করছি, এবার কিছুটা হলেও মানুষকে স্বস্তি দিতে পারব। ’

ডিএনসিসির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজি রজ্জব হোসেন বলেন, ‘আমার এলাকায় ঝিল আর খাল-নালা রয়েছে। ফলে মশার উৎপাত অন্যান্য এলাকা থেকে একটু বেশি। আশার কথা হলো, রবিবার থেকে মশার ওষুধ কাউন্সিলরদের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন আমরা স্থানীয়ভাবে মনিটরিং করে ভালো ফল উপহার দিতে পারব। ’

ঢাকার দুই সিটির প্রধান নির্বাহীকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তলব রাজধানীতে মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। নগরীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় এ রোগ নিয়ে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। এ অবস্থায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এরই মধ্যে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে দুই সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ডাকা হয়েছে। গতকাল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে টেলিফোনে দুই সংস্থার প্রধান নির্বাহীকে এ বার্তা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব।

উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) মেজবাহুল ইসলাম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) খান মোহাম্মদ বিলাল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী খান মোহাম্মদ বিলাল গতকাল বিকেলে বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় যেতে। সেখানে রাজধানীর মশা নিধন ও চিকুনগুনিয়া নিয়ে আলোচনা হবে। ’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব বলেন, ‘রাজধানীর ঘরে ঘরে এখন চিকুনগুনিয়া রোগে মানুষ আক্রান্ত। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়েও আলোচনা হয়েছে। মশাবাহিত এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু ঢাকার দুই সিটির মশক কার্যক্রম তেমন চোখে পড়ছে না। বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বিষয়টি। তাই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঢাকার দুই সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে উপস্থিত হতে বলেছেন। ’

 

ROOT

করোনার ৩ নতুন উপসর্গ হচ্ছে সর্দি, বমিভাব আর ডায়রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা (সিডিসি) করোনাভা্রাসের নতুন তিনটি উপসর্গ চিহিৃত করেছে। নতুন ৩ উপসর্গ হচ্ছে সর্দি, বমিভাব আর ...
Read More

করোনায় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আসাদুজ্জামানের মৃত্যু

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মহাখালীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আসাদুজ্জামান মারা গেছেন। ...
Read More

করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু

গাজীপুরের শ্রীপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে ফিরোজ আল-মামুন (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ফিরোজ উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা গ্রামের মৃত ...
Read More

অতিরিক্ত অর্থে মিলছে অক্সিজেন

রাজশাহীতে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আর এর চাইতেও বেশি আছে করোনা উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগীর সংখ্যা। এ ধরনের ...
Read More

উপসর্গে ওসমানী মেডিকেলের অধ্যাপক ডা. গোপাল শংকরের মৃত্যু

সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. গোপাল শংকর দে করোনাভাইরাসের ...
Read More

চীনের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হতে পারে বাংলাদেশে

করোনাভাইরাস নির্মূলে চীন আবিষ্কৃত সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বাংলাদেশে হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। ...
Read More

ক‌রোনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপদেষ্টার মৃত্যু

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট উপদেষ্টা আল্লাহ মালিক কাজেমী মারা গেছেন। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে এভার কেয়ার ...
Read More

রাজশাহীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে দু’জনের মৃত্যু,

প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহীতে মারা গেছেন একজন। আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে করোনার উপসর্গ নিয়ে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল ...
Read More

করোনায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বেসরকারি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি ...
Read More
%d bloggers like this: